কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৪:১৩ PM
কন্টেন্ট: পাতা
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, শিবালয় শাখা মূলত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে দক্ষ করে তোলার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। এই প্রশিক্ষণগুলো সাধারণত 'একটি বাড়ি একটি খামার' দর্শনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
শিবালয় শাখার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:
সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে মূলত কৃষি ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়:
গবাদি পশু পালন: উন্নত জাতের গরু মোটাতাজাকরণ এবং ডেইরি ফার্ম ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশিক্ষণ।
হাঁস-মুরগি পালন: বাড়ির আঙিনায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে লেয়ার ও ব্রয়লার মুরগি পালনের কৌশল।
মৎস্য চাষ: পুকুরে মাছ চাষের উন্নত প্রযুক্তি এবং মাছের খাদ্য ব্যবস্থাপনা।
শাক-সবজি চাষ: হাইব্রিড ও উন্নত মানের বীজ ব্যবহার করে মৌসুমি ও অমৌসুমি সবজি চাষ।
নার্সারি ও ফলদ বাগান: বিভিন্ন চারা উৎপাদন ও কলম করার পদ্ধতি।
ব্যাংকিং সেবা এবং ব্যবসার সঠিক হিসাব রাখার জন্য সদস্যদের নিম্নোক্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়:
আর্থিক সাক্ষরতা: সঞ্চয় জমা দেওয়া, কিস্তি পরিশোধ এবং ব্যাংকিং লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন: কীভাবে একটি ছোট ব্যবসাকে লাভজনক করা যায় এবং বাজারজাতকরণ করা যায়।
সমিতি ব্যবস্থাপনা: সমিতির সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দলগত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা।
শিবালয় শাখা সাধারণত দুইভাবে এই প্রশিক্ষণগুলো পরিচালনা করে:
উঠান বৈঠক: এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। মাঠ কর্মীরা সরাসরি গ্রামে গিয়ে ছোট ছোট দলের সদস্যদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ: বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের জন্য অনেক সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বা কৃষি অফিসের সাথে সমন্বয় করে তাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্যদের জন্য কিছু বিশেষ সুবিধা থাকে:
সহজ ঋণ: প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রকল্প শুরু করার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ প্রদান করা হয়।
কারিগরি পরামর্শ: প্রকল্প চলাকালীন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে মাঠ কর্মীরা কারিগরি পরামর্শ দিয়ে থাকেন।